রাজ-রুবেলকে ঘিরে সরব ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের রাজনীতি

রাজ-রুবেলকে ঘিরে সরব ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের রাজনীতি

রাকিবুল ইসলাম খান: ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের রাজনীতিতে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত দুই মুখ সাবেক ছাত্রদল নেতা এস এম মিজানুর রহমান রাজ ও সাজ্জাদ হোসেন রুবেল। দীর্ঘদিন পর দলীয় কর্মসূচিতে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি এবং মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগকে ঘিরে সংগঠনের তৃণমূলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এস এম মিজানুর রহমান রাজ ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে সাজ্জাদ হোসেন রুবেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের রাজনীতিতে একই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাজ-রুবেল নেতৃত্বাধীন কমিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচিত ছিল বলে দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি।

বর্তমানে রাজ ও রুবেলকে ঘিরে একটি সক্রিয় বলয় মাঠে কাজ করছে। বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে তাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টি সংগঠনের অভ্যন্তরে গুরুত্ব পাচ্ছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও রাজপথের কর্মসূচিতে তাদের সক্রিয় ভূমিকার কারণে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী তাদের নেতৃত্ব নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও নানা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে বলছেন, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এবার তারা ত্যাগী, বিতর্কমুক্ত, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব দেখতে চান। দীর্ঘদিন যারা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং দলের দুঃসময়ে সংগঠনকে সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত বলেও মত দিয়েছেন তারা।

এদিকে রাজ ও রুবেলের সাম্প্রতিক সক্রিয়তা নিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। অতীতের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এবং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ—সব মিলিয়ে আগামী দিনের নেতৃত্বে তাদের অবস্থান কী হয়, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্টদের।

তবে কমিটি পুনর্গঠন বা নেতৃত্বের বিষয়ে দলীয়ভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনো নিশ্চিত মন্তব্য করা যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করা হবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 BDCNEWS24
Developed By Nahin khan